চর্যাপদ কে সম্পাদন করেন?
-
ক
দীনেশচন্দদ্র সেন
-
খ
ঈম্বরচন্দ্র গুপ্ত
-
গ
কালিদাস রায়
-
ঘ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদ আবিষ্কার ও সম্পাদনার প্রধান কারিগর। তিনি ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এই পুঁথিটি আবিষ্কার করেন। পরবর্তীতে ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে তাঁরই সম্পাদনায় এটি ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- দীনেশচন্দ্র সেন: তিনি মূলত ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ সংকলন ও সম্পাদনা করে বিখ্যাত হন।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত: তিনি আধুনিক যুগের ভোরে প্রাচীন কবিওয়ালাদের গান সংগ্রহ ও সম্পাদনা করেন; তাঁকে 'যুগসন্ধিক্ষণের কবি' বলা হয়।
- কালিদাস রায়: তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও রবীন্দ্র-পরবর্তী যুগের সাহিত্যিক।
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন একাধারে শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, বহুভাষাবিদ, দার্শনিক, পণ্ডিত, প্রত্নতত্ত্ববিদ, ঐতিহাসিক, সংস্কৃত বিশারদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা। ভারততত্ত্ব নিয়ে শাস্ত্রীকে আগ্রহী করেন রাজেন্দ্রলাল মিত্র। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগের (১৯২১) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন এবং 'এশিয়াটিক সোসাইটি'র সভাপতি ছিলেন (১৯১৯-১৯২১)।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ৬ ডিসেম্বর, ১৮৫৩ সালে নৈহাটি, পশ্চিমবঙ্গে জন্মগ্রহণ করেন। আদি নিবাস- খুলনা জেলার কুমিরা গ্রামে।
- প্রকৃত নাম শরৎচন্দ্র ভট্টাচার্য। পারিবারিক পদবি- ভট্টাচার্য।
- তিনি বিএ ক্লাসে অধ্যয়নকালেই 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত 'ভারত মহিলা' প্রবন্ধটি রচনা করে 'হোলকার পুরস্কার' লাভ করেন।
- সংস্কৃত কলেজ থেকে তিনিই একমাত্র প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে উত্তীর্ণ (১৮৭৭) হওয়ায় তাকে 'শাস্ত্রী' উপাধি দেওয়া হয়।
- উপাধি- মহামহোপাধ্যায় (১৮৯৮), সি.আ.ই (১৯১১)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ডি.লিট (১৯২৭) উপাধিতে ভূষিত হন।
- তিনি ১৭ নভেম্বর, ১৯৩১ সালে মারা যান।
হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ:
উপন্যাস: 'কাঞ্চনমালা' (১৯১৬), 'বেণের মেয়ে' (১৯২০)।
'তৈল': এটি প্রথম 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
'বাল্মীকির জয়' (১৮৮১), 'বাঙ্গালা ব্যাকরণ' (১৮৮২), 'মেঘদূত ব্যাখ্যা' (১৯০২), 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা' (১৯১৬), 'প্রাচীন বাংলার গৌরব' (১৯৪৬), 'বৌদ্ধধর্ম' (১৯৪৮), 'সচিত্র রামায়ণ'।
Related Question
View Allচর্যাপদের ভাষাকে 'আলো আঁধারি' বলে অভিহিত করেন কে?
-
ক
ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
-
খ
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
-
গ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
-
ঘ
সুকুমার সেন
চর্যাপদের খন্ডিত পদগুলো তিব্বতি থেকে প্রাচীন বাংলায় রূপান্তর করেন-
-
ক
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
-
খ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
-
গ
রাজেন্দ্রলাল মিত্র
-
ঘ
সুকুমার সেন
হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপাধি কি?
-
ক
পণ্ডিত
-
খ
বিদ্যাসাগর
-
গ
শাস্ত্রজ্ঞ
-
ঘ
মহামহোপাধ্যায়
চর্যাপদ আবিষ্কার করেন-
-
ক
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
-
খ
দীনেশ চন্দ্র সেন
-
গ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
-
ঘ
সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়
'তৈল' প্রবন্ধটি লিখেছেন-
-
ক
সুকুমার রায়
-
খ
রমেশচন্দ্র মজুমদার
-
গ
শিবনারায়ণ রায়
-
ঘ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
কোনটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর লেখা প্রবন্ধ?
-
ক
বাবু
-
খ
অতি অগ্ন হইল
-
গ
শরৎ
-
ঘ
তৈল
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!